Sunday, December 23, 2018

স্ট্রেস কমাতে যে ওয়ার্ক আউট করতে পারেন - Stress Relieving Exercise

জীবনটা আর আগের অবস্থায় নেই। স্বাভাবিক
গতিতে চললে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা, তাইতো গতি
বেড়েছে অনেক। আর এই গতির সঙ্গে তাল
মেলাতেই অনধিকার চর্চার মতো যোগ হয়েছে
মানসিক চাপ, যার অন্য নাম স্ট্রেস। বিশেষজ্ঞদের
মতে, স্নায়ুর চাপ, অনিদ্রা, অবসাদ, রাগ—সবই মানসিক
চাপের নানা রূপ। এই চাপই আমন্ত্রণ জানাচ্ছে
হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো কঠিন
সব রোগকে। তাই আর অবহেলা নয়, বরং এটির
মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। শারীরিক
পরিশ্রম, কিছু ব্যায়াম করে এই অবস্থা থেকে মুক্তি
পাওয়া যেতে পারে।
Stress-Relief
স্ট্রেস ভালো করার কোনো মডেল ওয়ার্ক
আউট নেই। বরং কাজের ধরন, পরিবেশ, স্বাস্থ্য,
বয়স ইত্যাদির ওপর স্ট্রেস কমানোর ওয়ার্ক আউট
বা ব্যায়াম নির্ভর করে। যেমন—যাঁরা সারা দিন
কম্পিউটারে কাজ করেন তাঁদের জন্য স্ট্রেচিং,
সাঁতার শক্তি বাড়ানোর জন্য ভালো কাজ দেয়। আবার
শল্যচিকিৎসক, শিক্ষকদের জন্য ব্রিদিং, যোগাসনের
স্ট্রেচ আর কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়ামে ভালো ফল
মিলবে। গৃহবধূ, সাধারণ চাকরিজীবী, যাঁরা
একঘেয়েমি থেকে অবসাদের শিকার, তাঁদের
জন্য খোলা পরিবেশে কার্ডিওভাসকুলার ওয়ার্ক
আউট উপযোগী। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বদ্ধ
রুমে ব্যায়ামের চেয়ে প্রকৃতির মাঝে ব্যায়াম
করলে মেজাজ ভালো থাকে। এ জন্য এসব
ব্যায়ামের নাম দিয়েছেন তাঁরা গ্রিন এক্সারসাইজ। চাপ
থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আরো কিছু ব্যায়াম
সম্পর্কে জানানো হচ্ছে।
স্কিপিং :
Skipping
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্কিপিং বড্ড একঘেয়ে। বরং
করতে করতে কখনো সামনে, কখনো
পেছনে, কখনো ডানে বা বাঁয়ে যেতে থাকুন।
আবার সোজা না লাফিয়ে ভিন্নভাবেও লাফানো
যেতে পারে। লাফানোর মধ্যে নিজেই কিছু
বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টা করুন। এভাবে ৩০
সেকেন্ড থেকে এক মিনিট করতে হবে। এক
মিনিট বিশ্রাম করে আবার শুরু করুন। এভাবে পাঁচ
থেকে ছয়বার করুন।
বক্স অ্যান্ড কিক :
Box and Kicking
এই অনুশীলনটি করতে এক জোড়া বক্সিং গ্লাভস
হলে ভালো হয়। খালি হাতে হলেও কোনো
সমস্যা নেই। তবে একজন সঙ্গী দরকার হবে।
সঙ্গী দুই হাতের তালু খুলে দাঁড়িয়ে থাকবেন। এ
সময় দুই হাতে আড়াআড়ি চারটি ঘুষি মারুন। ঘুষির পরপরই
দুই পায়ে সঙ্গীর তালু লক্ষ্য করে একটি করে
লাথি মারতে পারেন।
এ সময় প্রতিপক্ষ হাত নিচে নামিয়ে রাখতে পারেন।
এরপর সঙ্গী আপনাকে লক্ষ্য করে নকল ঘুষি
ছুড়বেন, আপনি কতটা সজাগ সে পরীক্ষাটাও হয়ে
যাবে। মাথা নিচু করে ঘুষি এড়াতে হবে। এভাবে
অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে। এই অনুশীলন
আপনাকে চাপমুক্ত রাখতে সহায়তা করবে। সঙ্গী
না পেলে একাও অনুশীলন করা যাবে। তখন একা
একা শূন্যে ঘুষি বা লাথি ছুড়ুন।

চোখের নিচের কালো দাগ কমানোর ঘরোয়া উপায়

মানুষের মুখমণ্ডলে সবচেয়ে সুন্দর ও
স্পর্শকাতর অঙ্গ হলো এক জোড়া চোখ। কিন্তু
যদি সেই সুন্দর দুটি চোখের নিচে কালো দাগ বা
আন্ডার আই ডার্ক সার্কেল ( Dark Circle ) দেখা
দেয় তা হলে পুরো সৌন্দর্যেই ভাটা পড়ে।
অনেক কারণেই চোখের নিচে কালো দাগ
পড়তে পারে। তার মধ্যে রাতে জেগে থাকা বা ঘুম
কম হওয়া, কাজের বাড়তি চাপ, খাবারে অনীহা,
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, বার্ধক্যজনিত কারণ , রক্ত শূন্যতা,
বিষণ্ণতা উল্লেখযোগ্য।
এ ছাড়াও কিছু শারীরিক সমস্যা যেমন-এলার্জি, শ্বাস
কষ্ট, যকৃতের সমস্যা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ইত্যাদি কারণেও চোখের নিচে কালো দাগ হতে
পারে। অনেক ক্ষেত্রে ছোট বেলা থেকে
কোনো কারণ ছাড়াই চোখের নিচে কালো দাগ
দেখা যায়।
চোখের নিচের কালো দাগ কমানোর
ঘরোয়া উপায়
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে
ওষুধের চেয়ে যত্ন ও কিছু নিয়ম কানুন
কার্যকরী।
প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর
অভ্যাস করতে হবে।
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে
হবে।
ধূমপান থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
রোদে বাইরে বের হলে রোদ চশমা বা সান
ব্লক ব্যবহার করতে হবে।
প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও অ্যান্টি
অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে।
কারো কারো অনেক দিন চশমা ব্যবহারের জন্য
চোখের নিচে কালো দাগ ও ফোলা ভাব
দেখা যায়।
সেই ক্ষেত্রে প্রতিদিন কাজের ফাঁকে ১০
মিনিট চোখ বন্ধ করে চোখকে বিশ্রাম দিতে
হবে এবং
রাতে ঘুমানোর সময় উঁচু বালিশ ব্যবহার করতে
হবে।
মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় যথাযথ দূরত্ব
বজায় রাখতে হবে। এখন বাজারে অনেক ধরনের
আন্ডার আই ডার্ক সার্কেল ক্রিম পাওয়া যায়। এগুলো
ব্যবহারে কিছুটা ডার্ক সার্কেল হালকা হয়। এ ছাড়া
ডায়মন্ড পিলিংয়ের মাধ্যমেও ডার্ক সার্কেল
কমানো যায়। তবে চোখের নিচে কালো
দাগের সমস্যা অনেক দিন হলে অবশ্যই
চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে চুল বাড়াতে পারবেন

ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে চুল বাড়াতে পারবেন
♦ চুলে ভলিউম আনতে টেসিং অর্থাৎ চিরুনি দিয়ে চুল
ফোলানো বাদ দিন। কারণ টেসিং করতে গিয়ে চুল
আরো ভেঙে যায়। ফলে চুল পাতলা হয়।
♦ চুলের কাটে পরিবর্তন আনুন। চুলে দিন শর্ট
লেয়ার অথবা ভলিউম লেয়ার কাট, যা চুলকে ঘন
দেখাতে সাহায্য করবে।
♦ চুলে ভলিউম আনতে ব্যবহার করুন ড্রাই শ্যাম্পু।
ড্রাই শ্যাম্পু চুলের গোড়া থেকে বাড়তি তেল দূর
করে, চুলের গোড়ায় ভলিউমের সৃষ্টি করে। তাই
চুলে ভলিউম আনতে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করে
দেখতে পারেন। ড্রাই শ্যাম্পু না থাকলে একটু
বেবি পাউডার চুলের গোড়ায় ব্যবহার করে
ভালোমতো চুল আঁচড়ে নিন, যাতে বাড়তি পাউডার
ঝরে যায়। এতে দ্রুত চুল ভলিউম হবে।
♦ চটজলদি চুলে ভলিউম আনতে চুলের গোড়ার
দিকের চুলে একটু হেয়ার স্প্রে লাগিয়ে নিন।
তবে খুব বেশি না ব্যবহার করাই ভালো।
♦ অনেকের চুল অনেক বেশি পাতলা থাকে বলে
সিঁথি কাটলে খুবই বাজে দেখায়। এর উপায় হলো,
গাঢ় ছাই আইশ্যাডো ছোট একটা ব্রাশে নিয়ে সিঁথির
ওপর ও পাশে লাগিয়ে নিন। এতে সিঁথি দেখতে
বাজে লাগবে না; বরং দেখে মনে হবে, মাথায়
অনেক চুল আছে।
♦ নিয়মিত শ্যাম্পু করতে হবে। মাথার স্ক্যাল্প যেন
তেলতেলে না হয়। কারণ চুলের গোড়ার তেল
চুলের ভলিউম কমায়।
যেভাবে শ্যাম্পু করলে ১৫ মিনিটেই পাবেন
নায়িকাদের মত চুল?
♦ ঘুমানোর আগে মাথার ওপর গোল করে অর্থাৎ
টুপির মত একটা ব্যান্ড বেঁধে রাখুন। সকালবেলা যখন
চুল খুলবেন, চুল দেখতে অনেক বেশি ও ঘন
মনে হবে।
♦ নিয়মিত চুলের আগা কাটবেন। চুলের আগা নিয়মিত
না কাটলে দেখতে একটা সময় লেজের মতো
লাগবে। এতে চুল অল্প মনে হয়।
♦ দই বা কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রথমে চুলে পানি
স্প্রে করে নিন। চুল হালকা ভেজা হয়ে গেলে
এরপর কন্ডিশনার লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে
এরপর শ্যাম্পু করে আবার কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
♦ ক্যাস্টর অয়েল চুলের গোড়া মজবুত করে।
সপ্তাহে এক দিন নারিকেল বা অলিভ অয়েলের
সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল ৩:১ অনুপাতে মিশিয়ে কুসুম
গরম করে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। সারা রাত
রেখে সকালে শ্যামপু করে নিন। প্রাকৃতিক ভলিউম
পাবেন চুলে।
♦ প্রাকৃতিকভাবে ভেতর থেকে চুলের ভলিউম
বাড়াতে এক গ্লাস দুধ বা টক দই রাখুন নিয়মিত খাদ্য
তালিকায়। বাদাম ও টক দই চুল ভালো রাখে।

চুল পড়া কমান ঘরোয়া উপায়ে

চুল পড়া কমান ঘরোয়া উপায়ে । প্রতিদিন ৫০-১০০টা
চুল পড়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এর বেশি হলে
কিন্তু চিন্তার বিষয়। কে চান যে তার মাথাটা চুলবিহীন
হয়ে যাক? আসলে অস্বাভাবিকভাবে চুল পড়ার নানা
কারণ থাকে। যেমন- প্রতিদিনের ব্যবহৃত কড়া
রাসায়নিক পদার্থের শ্যাম্পু চুল নষ্ট করে দেয়।
অন্যান্য চুলের প্রসাধনও দায়ী হতে পারে।
এগুলো মেরামতের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে
থাকে।
এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কীভাবে চুল পড়া
রোধ করা যায়। এ কাজ কিন্তু মোটেও খরচবহুল
নয়। তাই প্রতিদিনের কাজ হিসাবে ঠিক করে নিন।
চুল পড়া কমান ঘরোয়া উপায়ে
১. অবশ্যই নিয়মিতভাবে চুলে তেল দিতে হবে।
নইলে সপ্তাহে অন্তত একবার তো দেবেনই।
চুলের জন্য নারকেল তেল ই সেরা। তেল
চুলের ময়েশ্চারের কাজ করে। রুক্ষ হয়ে পড়ে
যেতে বাধা দেয়। এই তেল চুলে প্রোটিন
জোগায়। ফলে চুল সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। চুল
হয় ঘন ও স্বাস্থ্যবান। তেলে ব্যাকটেরিয়া
প্রতিরোধী উপাদানও থাকে। ফলে সংক্রমণ
থেকে রক্ষা করে চুলকে।
Chul-Pora
২. সকল প্রকার রাসায়নিক উপাদানে তৈরি শ্যাম্পুকে বাদ
দিতে হবে। বরং অর্গানিক উপাদানে তৈরি শ্যাম্পু ব্যবহার
করুন। বিটরুট, তেঁতুলের বিচি বা আমলকির নির্যাস
থেকে প্রস্তুতকৃত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
৩. কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে কেবল চুলের
চকচকে ভাবই বাড়ে না, এতে চুলও শক্তিশালী হয়।
আরো বাড়ে মসৃণতা। সব কন্ডিশনার হয়তো আপনার
চুলের জন্য ভালো হবে না। তাই যে খাপ খায়,
সেটা বেছে নিন। এর জন্য হয়তো প্রাথমিক
অবস্থায় কয়েকটা পরখ করে নিতে হবে। তবে
এমন কন্ডিশনার নেবেন যাতে বিটরুটের নির্যাস,
কেরাটিন প্রোটিন আর প্রো ভিটামিন বি৫
রয়েছে।
৪. চুলের ময়লা ধুতে কেবলমাত্র হালকা গরম পানি
ব্যবহার করুন। সব সময় ব্যবহার করবেন না। কারণ গরম
পানি চুল ও মাথার জন্য ক্ষতিকর। গরম পানিতে মাথায়
খুশকি হয়। আর খুশকি হলে চুল পড়া সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
৫. খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতে হবে। প্রোটিনসমৃদ্ধ
খাবার চুল পড়া রোধ করে।
৬. প্রয়োজনে অ্যালো ভেরা, আমলকি আর নিম
পাইডারে বানানো প্যাক চুলে লাগিয়ে চুল পড়া রোধ
করতে পারেন। সপ্তাহে একদিন চুলে ব্যবহার করুন
এবং হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক
চুলে পুষ্টি জোগায় আর চুল পড়া রোধ করে।
৭. হেয়ার ড্রায়ারকে ‘না’ বলুন। চুলে যেকোনো
ধরনের তাপ দারুণ ক্ষতি করে। যদি করতেই হয়,
তবে তার আগে তাপ প্রতিরোধী স্প্রে বা ক্রিম
মেখে নিন চুলে।

চুল পাকা ঠেকাতে ঘরোয়া ট্রিটমেন্ট

আমলকী
ঠিক সময়ের আগে পেকে যাওয়া চুলকে পুরনো
অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আমলকীর কোনও
বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে একটা
বাটিতে অল্প করে নারকেল তেল এবং কয়েক
টুকরো আমলকী নিয়ে গরম করুন। তারপর সেই
তেলটা ধীরে ধীরে সারা চুলে লাগিয়ে কয়েক
মিনিট অপেক্ষা করুন। আমলকীতে উপস্থিত বিশেষ
কিছু উপাদান পিগমেন্টের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য
করে। ফলে স্বাভাবিকভাবে সাদা চুল কাল হতে শুরু
করে।
আদা
১ চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণ মত আদা মিশিয়ে একটা
পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি প্রতিদিন চুলে
লাগান। এই ঘরোয়া মিশ্রনটি চুলকে দীর্ঘসময় কালো
রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
আদার আরেক নাম দাদা! দেখে নিন আদা খেলে
শরীরে কি হয়?
নারকেল তেল
চুলের যত্নে নারকেল তেলের বিকল্প নেই।
একটা বাটিতে পরিমাণ মত নারকেল তেল এবং লেবুর
রস নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রনটা
স্কাল্পে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এই
পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নিলে চুল তো পাকেই না।
সেই সঙ্গে চুলের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও ফিরে
আসবে।
হেনা
১ বাটিতে দুই চামচ হেনা পাউডার, এক চামচ মেথি
বীজ, দুই চামচ তুলসি পাতার পেস্ট, তিন চামচ কফি
পাউডার, তিন চামচ মিন্ট পাতার জুস এবং এক চামচ দই
মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি
প্রতিদিন চুলে লাগাতে শুরু করুন। এভাবে নিয়ম
মেনে নিয়মিত এটা করলে সাদা চুল নিয়ে চিন্তায়
পড়তে হবে না।
নিম তেল
নিম তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ
স্কাল্পে জন্ম নেয়া ব্যাকটেরিয়াদের মেরে
ফেলে চুলের একাধিক সমস্যার সমাধান করে,
তেমনি চুল পড়া ও সাদা চুলের সংখ্যা কমাতেও
বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে।

Saturday, December 22, 2018

গর্ভবতী হবার লক্ষণসমূহ

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা হোক কি না হোক,
আপনার যদি মনে হয় আপনি সন্তানসম্ভবা তবে
অবিলম্বে নিকটবর্তী হাসপাতাল বা প্রসূতিগৃহে
যোগাযোগ করুন। আপনার বর্তমান বা ভবিষতের
যে কোনও রোগের চিকিৎসা কি হবে তা নির্ভর
করে আপনি গর্ভবতী কি না তার উপর। আপনি বিবাহিত
না হলে এবং আপনার বয়স ১৬ বছরের কম হলেও তা
গোপন রাখা হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
আপনার নিকটস্থ মা এবং শিশু হাসপাতালে
প্রসবপূর্ববর্তী সেবা গ্রহন করুন।
গর্ভধারণের লক্ষণসমূহ
যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে
গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে
মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য
রক্তক্ষরণ হতে পারে।
অন্যান্য লক্ষণ
অসুস্থ বোধ করা- আপনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ
করতে পারেন বা বমি বমি ভাব হতে পারে। যদিও
একে মর্নিং সিকনেস বলা হয়, তারপরও দিনের যে
কোনও সময় এরকম হতে পারে। যদি এর কারণে
একেবারেই কিছু খেতে না পারেন তবে
ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
স্তনের পরিবর্তন– গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পর
স্তনের আকারে পরিবর্তন আসা শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে স্তনের বোঁটায় পরিবর্তন আসে।
বোঁটা চেপে ধরলে একধরনের রস নি:সৃত হতে
দেখা যায়। এটাও এক ধরনের সংকেত গর্ভধারণের।
ক্রমেই স্তনের আকার বড় হতে পারে এবং ব্যাথা
হতে পারে (অনেকের মাসিকের সময়ও এমন
হতে পারে), সুঁড়সুঁড়িও অনুভূত হতে পারে।
রক্তনালী (রগ) গুলি আরো বেশি করে দেখা
যেতে পারে এবং স্তনের বোঁটা আরো শক্ত
এবং কালচে মনে হতে পারে।
বেশি বেশি প্রস্রাবের বেগ। রাতে
প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য ।
যোনিপথে কোনপ্রকার জ্বালাপোড়া ছাড়াই
বেশি বেশি ক্ষরন হতে পারে।
অতিরিক্ত ক্লান্তিভাব।
মুখে তামাটে স্বাদ লাগা।
আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগা (যেমন-চা,
কফি, সিগারেট বা তেলযুক্ত খাবার) আর নতুন নতুন
খাবার খেতে ইচ্ছে করা।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট
মাসিক বন্ধ হওয়ার দিন থেকেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট
করা যায়। টেস্ট পজিটিভ হলে আপনার গর্ভধারণের
দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে হবে। দিনের
যেকোনো সময়ে এই টেস্ট করতে পারেন।
প্রথমে একটি পরিস্কার কন্টেইনারে (সাবান দিয়ে
ধুয়ে থাকলে দেখুন সাবান লেগে আছে কিনা)
প্রস্রাব সংগ্রহ করুন। কাছের ফার্মেসি থেকে
কিনে আনা স্ট্রিপ দিয়ে এবার দেখে নিন আপনি
গর্ভবতী কিনা। এসব স্ট্রিপের সুবিধা হল, এগুলো
বাসায় বসে গোপনীয়তা বজায় রেখেই করা যায়।
ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই মোড়কের নির্দেশিকা
পড়ে নেবেন। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বা
নির্দেশনা অনুসরণে ভুল হলে টেস্ট এ ভুল
দেখাতে পারে। টেস্ট নেগেটিভ, কিন্তু আপনি
নিজেকে সন্তানসম্ভবা বলে মনে করছেন, এমন
হলে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে দেখুন। এরপরও
মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। টেস্ট
স্ট্রিপ ছাড়াও কাছাকাছি থাকা হাসপাতাল, প্রসূতি ক্লিনিক বা
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আপনার প্রস্রাব পরীক্ষা
করে গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে পারেন।
Full Body Massage করে ঠিক রাখুন Body Shape,
পান ভালবাসা আরও বেশি। দেখে আসুন
এক্সারসাইজ গুলো, এই ব্যায়াম সম্পর্কে আরও
বিস্তারিত জানতে এবং বাসায় ম্যাসাজ নিতেঃ
০১৯১২-৬১৩৩৭৪ ।
যখন আপনি গর্ভবতী
গর্ভবতী হলে কেউ অনেক উৎফুল্ল, আবার
কেউ আকস্মিকতায় হতবিহ্বল অনুভব করতে
পারেন। অনেক দিন চেষ্টা করে মা হতে
চলেছেন, তারপরও খুব বেশি উৎফুল্ল বোধ
করছেন না, এমন হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।
গর্ভবতী অবস্থায় হরমোনের প্রভাবে মায়ের
মনোভাবে তারতম্য ঘটতে পারে, হঠাৎই বেশি
আবেগাপ্লুত বা উদ্বিগ্ন হতে পারেন। এ সম্পর্কে
আপনি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
পরিবারের সদস্য এবং বন্ধু-বান্ধব সবারই এসময়ে
গর্ভবতী মায়ের পাশে থেকে সাহস যোগাতে
হবে। আপনি মা হতে প্রস্তুত না হলে তারাই আপনার
পাশে এসে দাঁড়াবে। আপনার স্বামী বা সঙ্গীও
ভিন্নরকম অনুভব করতে পারেন, তবে গর্ভবতী
মায়ের পরিবর্তনশীল মনোভাবের দিকে লক্ষ্য
রেখে তারা সব কথা খুলে বলতে পারেন না।
দুজনেরই এসময় মন খুলে একে অপরের কাছে
অনুভূতি ব্যক্ত করা প্রয়োজন।গর্ভবতী
মায়েদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি তা
হলো মা ও শিশু স্বাস্থ্য ক্লিনিকে প্রসবপূর্ববর্তী
সেবার জন্য নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
আপনি গর্ভবতী কাকে জানাবেন?
আপনি গর্ভবতী — এই খবরটি আপনার পরিবার এবং
বন্ধুবান্ধবকে জানানো একটি আনন্দের ব্যাপার।
তবে ইচ্ছা করলে খবরটা দেরি করেও জানাতে
পারেন। অনেক মা তার প্রথম আল্ট্রাসাউন্ড
স্ক্যানের পর সবাইকে খুশির খবরটি দিতে পছন্দ
করেন।

জেনে নিন থাইরয়েড রোগ হলে কি কি লক্ষণ দেখা দেয়

থাইরয়েডের সমস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শরীরের সব কাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য থাইরয়েড
হরমোনের অত্যন্ত বেশি ভূমিকা রয়েছে।
থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে একদিকে
যেমন শরীর শুকিয়ে যায়, ঠিক তেমনি থাইরয়েড
হরমোন যদি শরীরে কমে যায় তাহলে শরীর
অনেক মোটা হয়ে যায়। অনেকে অনেক
ডায়েট কন্ট্রোল করার পরও নিজেদের
শরীরের ওজন কমাতে পারছেন না। তাদের উচিত
তারা থাইরয়েড রোগে ভুগছেন কিনা তার জন্য দ্রুত
পরীক্ষা করা।
লক্ষণ জানা না থাকায় অধিকাংশ রোগী বুঝতে পারেন
না তারা থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসা-
বিজ্ঞানের তথ্যানুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়,
সমস্যার শুরুটা হয় যখন থাইরয়েড গ্রন্থির গোড়ায়
ছোট একটি মাংসপিণ্ড বেড়ে ওঠে, যা
হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। ওজন
নিয়ন্ত্রণে সমস্যা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, রক্তচাপ
অনিয়মিত হওয়া ইত্যাদি সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে
অন্যতম। তবে আরো কিছু উপসর্গ আছে যা মানুষ
জানেন না কিংবা গুরুত্ব দেন না।
Thyroid Problem এর লক্ষণ জেনে নিন
থাইরয়েডের সমস্যা হলে কি কি লক্ষণ দেখা যায় তা
জেনে নিন। থাইরয়েডের সমস্যা হলে সমস্ত
শরীরের কার্যকলাপ এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে।
জেনে নিন থাইরয়েড রোগ হলে কি কি লক্ষণ
দেখা দেয়
অবসাদ: প্রতিদিনই যদি নিজেকে অবসাদগ্রস্ত মনে
হয় তবে এর সঙ্গে থাইরয়েডের সম্পর্ক
থাকতে পারে। স্বাভাবিকের চাইতে কম সক্রিয়
থাইরয়েড বা ‘ হাইপোথাইরয়ডিজম ’ পর্যাপ্ত হরমোন
উৎপাদনের পথে বাধা দেয়। ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস
পায় এবং অবসাদগ্রস্ত মনে হয়। এমনকি পর্যাপ্ত
বিশ্রামের পরেও এবং সারাদিন কোনো কাজ না
করলেও নিজেকে ক্লান্ত মনে হয়।
হতাশা: থাইরয়েডে সংক্রমণ দেখা দিলে
হরমোনের উৎপাদন বেড়েও যেতে পারে। এই
হরমোনের তারতম্যের কারণে মন-মেজাজ এই
ভালো তো এই খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়। আর
হতাশাগ্রস্ততার প্রথম উপসর্গই এটি। আক্রান্ত
ব্যক্তির পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই
হরমোনের তারতম্য অস্বস্তি এবং মানসিক অশান্তিও
তৈরি করতে পারে।
থাইরয়েড এর সমস্যা হলে কিভাবে বুঝবেন
জেনে নিন
কোষ্ঠকাঠিন্য: মলত্যাগের অস্বস্তি বা
কোষ্ঠকাঠিন্য মাঝেমধ্যে হওয়া স্বাভাবিক। তবে তা
নিয়মিত হয়ে গেলে বুঝতে হবে থাইরয়েডেরও
সেখানে প্রভাব আছে। থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান
কাজ ‘মেটাবলিজম’ নিয়ন্ত্রণ করা, তাই সেখানে
সমস্যা দেখা দিলে বিপাক পক্রিয়াতেও প্রভাব
ফেলবে। হরমোন উৎপাদন কমে গেলে
কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। তাই দীর্ঘদিন
কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে থাকলে থাইরয়েড
পরীক্ষা করানো উচিত। জেনে নিন
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কি কি খাবার খাওয়া যাবেনা
ঘাম (Sweating disturbance): গরমে ঘাম যেমন
স্বাভাবিক এবং উপকারী তেমনি ঠাণ্ডা পরিবেশে ঘাম
হওয়া আশঙ্কাজনক। কর্মশক্তি নিয়ন্ত্রক হরমোন
যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না তখন অস্বাভাবিক
মাত্রায় এবং অস্বাভাবিক পরিবেশ ঘাম হতে পারে।
থাইরয়েড এর সমস্যা হলে কি করবেন জেনে নিন
শুষ্ক ত্বক (Dry Skin): মানুষ ভেদে ত্বক এবং
ত্বকের সমস্যার ধরন ভিন্ন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
শুষ্ক ত্বকের জন্য মানুষ ঋতু পরিবর্তনকেই দায়ী
করে। তবে এখানেও থাইরয়েডের হাত আছে।
কারো ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যা হয়তো
অতিরিক্ত ঘামের কারণ হতে পারে। আবার কারো
ক্ষেত্রে ঘাম নিয়ন্ত্রণে সমস্যার কারণে ঘাম
হওয়ার মাত্রা কমে যেতে পারে। ঘাম কম হওয়ার
কারণে আর্দ্রতার অভাবেও শুষ্ক ত্বকের সমস্যা
দেখা দিতে পারে।
স্বাদ-গ্রন্থির সমস্যা (Altered Taste Sensation):
খাবারের স্বাদ বোঝার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত
করতে পারে থাইরয়েড। যে খাবারগুলো একসময়
আপনার অত্যন্ত পছন্দ ছিল সেগুলোতে এখন
আপনার অনাগ্রহ তৈরি হওয়ার পেছনে দায়ী হতে
পারে থাইরয়েডের সমস্যা। এর ফলে কিছু
হরমোন অতিমাত্রায় তৈরি হতে পারে যা খাওয়ার রুচি
নষ্ট করে দেয়।
থাইরয়েডের সমস্যা হলে কি কি খাবার খাওয়া যাবেনা
জেনে নিন
অনেক মহিলা বার বার বাচ্চা নেবার চেষ্টা করা
সত্ত্বেও তাদের বাচ্চা হচ্ছে না। বাচ্চা না হবার
পিছনে থাইরয়েড হরমোনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রয়েছে। বাচ্চা নেয়ার জন্য যেমন সঠিক
সময়ে সহবাস করা জরুরি ঠিক তেমনি শরীরের সব
হরমোন ঠিক থাকা অত্যন্ত দরকার। আপনার যদি
থাইরয়েড হরমোন ঠিক থাকে তাহলে একদিকে
আপনার শরীর যেমন সুস্থ সবল থাকবে ঠিক
তেমনি আপনার শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সুস্থ ও
স্বাভাবিক থাকবে।